Category: আমাদের স্কুল
Jan 3, 2009
চিলড্রন ভয়েস
চিলড্রন ভয়েস
যমুনা পাড়ের শিশু শিক্ষা কার্যক্রম স্থবির
চিলড্রেন ভয়েস:যমুনা,ব্রহ্মপুত্র নদীবেষ্টিত জামালপুর জেলার ইসলামপুর উপজেলার মানচিত্র থেকে প্রতি বছর রাক্ষুসী যমুনা ভেঙ্গে নিয়ে যাচ্ছে শত শত গ্রাম। সেই সাথে ওই সকল গ্রামের শত শত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। তবে যে ভাবে যমুনার বুকে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিলীন হয়ে গেছে বা যাচ্ছে সে অনুযায়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেনি এবং উঠছে না। ফলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অভাবে স্থবির হয়ে পড়েছে এই জনপদের শিক্ষা কার্যক্রম। বিশেষ করে শিশু শিক্ষা কার্যক্রম।
বর্তমানে এই জনপদে যে ক’টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে সে গুলোও চলছে নানা রকম দৈন্যদশার মধ্য দিয়ে। শিক্ষক/শিক্ষিকা নেই,বই নেই,বেঞ্চ নেই,চেয়ার-টেবিল নেই,প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র নেই এরই মধ্য দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে ওই সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কার্যক্রম।
ওই সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিশু শিক্ষা কার্যক্রম দেখতে সমপ্রতি ১৫নং গুঠাইল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দেখা যায়,বেঞ্চের অভাবে নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে নিয়মিত ভাবে ক্লাশ করে যাচ্ছে বিদ্যালয়টির শিশু শিক্ষার্থীরা। একমাত্র পঞ্চম শ্রেণী ব্যতীত স্কুলটির আর কোন শ্রেণীতে প্রয়োজনীয় বেঞ্চ দেখা যায়নি। ফলে বাধ্য হয়ে ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা শিশু শিক্ষার্থীদের নিয়ে মেঝেতে বসেই পাঠ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন স্কুলের শিক্ষক/শিক্ষিকা মন্ডলী। স্কুলের ৩য় শ্রেণীর ছাত্র রিফাত জানায়,বেঞ্চ না থাকায় মেঝেতে বসে পড়তে খুব কষ্ট হয়।
স্কুলটির সহকারী শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম জানান,প্রতি বছর বন্যার সময় এই স্কুলটি আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়। আর সে সময় বেঞ্চ চুরি হয়ে যায়। বেশ কয়েকবার এই অবস্থা সৃষ্টি হবার জন্য প্রশাসন থেকে আর বেঞ্চ দেয় হয়নি। তবে উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়,স্কুলটির বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ সমপ্রতি শুরু হয়েছে।
বর্তমানে স্কুলটিতে ১২০ জোড়া বেঞ্চ স্কুলটিতে প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন স্কুল কর্তৃপক্ষ। গ্রামের অধিকাংশ পরিবারই দরিদ্র্য হওয়ায় তাদের শিশুদেরকে পাঠাতে পারছে না স্থানীয় ভাবে গড়ে উঠা কিন্ডার গার্ডেন গুলোতে। আর তাই বাধ্য হয়েই তাদের শিশুদেরকে ওই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠাতে বাধ্য হচ্ছেন।
যমুনা পাড়ের গুঠাইল গ্রামের ওই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মত যমুনা তীরবর্তী কদমতলী,উলিয়া,বৌসেরগড়,চিনাডুলী সহ অধিকাংশ গ্রামের বিদ্যালয়েরই এখন এমনই চিত্র। যেখানে শিশু শিক্ষা কার্যক্রম প্রায় স্থবীর হয়ে পড়েছে।
এই মুহূর্তে যমুনা তীরবর্তী শিশু শিক্ষার্থীদেরকে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করার জন্য এবং শিশুদের প্রাপ্ত অধিকার পূরণে এখনই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবী জানিয়েছেন যমুনা পাড়ের শিশুদের অভিভাববৃন্দ।
বর্তমানে এই জনপদে যে ক’টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে সে গুলোও চলছে নানা রকম দৈন্যদশার মধ্য দিয়ে। শিক্ষক/শিক্ষিকা নেই,বই নেই,বেঞ্চ নেই,চেয়ার-টেবিল নেই,প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র নেই এরই মধ্য দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে ওই সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কার্যক্রম।
ওই সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিশু শিক্ষা কার্যক্রম দেখতে সমপ্রতি ১৫নং গুঠাইল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দেখা যায়,বেঞ্চের অভাবে নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে নিয়মিত ভাবে ক্লাশ করে যাচ্ছে বিদ্যালয়টির শিশু শিক্ষার্থীরা। একমাত্র পঞ্চম শ্রেণী ব্যতীত স্কুলটির আর কোন শ্রেণীতে প্রয়োজনীয় বেঞ্চ দেখা যায়নি। ফলে বাধ্য হয়ে ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা শিশু শিক্ষার্থীদের নিয়ে মেঝেতে বসেই পাঠ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন স্কুলের শিক্ষক/শিক্ষিকা মন্ডলী। স্কুলের ৩য় শ্রেণীর ছাত্র রিফাত জানায়,বেঞ্চ না থাকায় মেঝেতে বসে পড়তে খুব কষ্ট হয়।
স্কুলটির সহকারী শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম জানান,প্রতি বছর বন্যার সময় এই স্কুলটি আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়। আর সে সময় বেঞ্চ চুরি হয়ে যায়। বেশ কয়েকবার এই অবস্থা সৃষ্টি হবার জন্য প্রশাসন থেকে আর বেঞ্চ দেয় হয়নি। তবে উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়,স্কুলটির বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ সমপ্রতি শুরু হয়েছে।
বর্তমানে স্কুলটিতে ১২০ জোড়া বেঞ্চ স্কুলটিতে প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন স্কুল কর্তৃপক্ষ। গ্রামের অধিকাংশ পরিবারই দরিদ্র্য হওয়ায় তাদের শিশুদেরকে পাঠাতে পারছে না স্থানীয় ভাবে গড়ে উঠা কিন্ডার গার্ডেন গুলোতে। আর তাই বাধ্য হয়েই তাদের শিশুদেরকে ওই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠাতে বাধ্য হচ্ছেন।
যমুনা পাড়ের গুঠাইল গ্রামের ওই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মত যমুনা তীরবর্তী কদমতলী,উলিয়া,বৌসেরগড়,চিনাডুলী সহ অধিকাংশ গ্রামের বিদ্যালয়েরই এখন এমনই চিত্র। যেখানে শিশু শিক্ষা কার্যক্রম প্রায় স্থবীর হয়ে পড়েছে।
এই মুহূর্তে যমুনা তীরবর্তী শিশু শিক্ষার্থীদেরকে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করার জন্য এবং শিশুদের প্রাপ্ত অধিকার পূরণে এখনই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবী জানিয়েছেন যমুনা পাড়ের শিশুদের অভিভাববৃন্দ।







